১০ দিনে ফরসা হতে ৭ উপকরন

Dec 09, 2017 04:33 pm
চামড়ার রং উজ্বল দিকটি তুলে ধরা হলো

 

উপমহাদেশের মানুষদের জীবন যাত্রায় চামড়ার রং খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গায়ের রং ফরসা না কালো তা দিয়ে লোক বিচার করার নজিরও কম নয়। তাই ফরসা নন, এমন লোকেদের অনেকেই সবসময়ই গায়ের রং নিয়ে চিন্তায় ভোগেন। সেই চিন্তা থেকে হিনম্মন্যতা আসে যা মানসিকভাবে তাদের পিছিয়ে দেয়। আমরা সকলেই জানি, গায়ের রং কি হবে তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা আমাদের নেই। সেটা জন্মের সময়ই ঠিক হয়ে যায় এবং তা জিনগত ব্যাপার।

এখনকার দিনে সুন্দর দেখতে লাগা যেহেতু খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাই সকলেই চায় নিজেকে সুন্দর করে তুলতে। তাতে আত্মবিশ্বাসও অনেকটাই বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন মানসিক বিশেষজ্ঞরা

সেজন্য কয়েকটি ঘরোয়া উপকরন নিয়ে চামড়ার রং উজ্বল দিকটি তুলে ধরা হলো। এর মাধ্যমে আগের চেয়ে অনেকটা ফরসা হয়ে উঠবে।

লেবু : ত্বকের রং ফেরাতে লেবু সবসময়ই ব্যবহার করা হয়। লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে চামড়ায় লাগান। এটি স্বাভাবিক ব্লিচের কাজ করবে ও ত্বকের জেল্লা বাড়াবে।

গোলাপ জল : গোলাপ জল মিশিয়ে গোসল করুন। তাতে অনেকটা লেবুর রসও মিশিয়ে দিন। লেবু ব্লিচের কাজ করবে ও গোলাপ জল গোসলের পরে জেল্লা ফিরিয়ে আনবে।

ডিমের কুসুম: ডিমের সাদা অংশের পাশাপাশি কুসুমও ত্বকের জন্য উপকারী। কুসুম ফেটিয়ে তা ত্বকে মাখতে পারেন। তবে তা তোলার সময়ে ভিনিগার ব্যবহার করবেন। তাতে গন্ধ চলে যাবে আর আপনি ত্বক ফর্সা হবে।

দুধ : দুধ গোসল ত্বককে ফরসা হতে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি সাহায্য করে। এটিতে গোসল করলে আলাদা করে সাবান বা শ্যাম্পুর প্রয়োজন হয় না, ত্বকও ফরসা হয়ে ওঠে।

দই : ত্বকের রং ফেরাতে টক দই ও লেবুর রসের মিশ্রণ তৈরি করে ত্বকে লাগান। এতে খানিক জ্বালা ভাব অনুভূত হলেও ফরসা হতে দারুণ কাজ দেবে।

জিরে : গোসলের পানিতে জিরে ভিজিয়ে রেখে তা ব্যবহার করুন। এটির ব্যবহারে মাত্র ১০ দিনেই ত্বকের জেল্লা না ফিরলেও দারুণ কাজ দেবে। জিরে বেঁটে নিয়ে তাতে দুধ মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করেও লাগাতে পারেন। ত্বকের রং ফেরাতে দারুণ কাজ দেবে।

ডাবের পানি: ডাব বা নারকেলের জল ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারী। ত্বকের উজ্বলতা ফেরাতে, কালো ছোপ দূর করতে এর জুড়ি নেই।

 

মেয়েরা যে কারনে শারীরিক সক্ষমতায় ছেলেদের চেয়ে পিছিয়ে

নারীবাদীরা সব সময় দাবি করে থাকেন পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় মেয়েদের বহু জিনিসেই পিছিয়ে রাখা হয়েছে। সম-আইন ও সম-মর্যাদা ও সমানাধিকারের প্রশ্নে নানা আইন থাকলেও মেয়েরা বিস্মৃত। তাদের দাবি সবক্ষেত্রে নারী ও পুরুষ সমান।

কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে একটি ক্ষেত্রে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে খানিক পিছিয়ে, তা হল শারীরিক সক্ষমতায়। তবে এব্যাপারে সমাজব্যবস্থার কোনও ত্রুটি নেই। গোটাটাই শারীরিক কারণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে, মেয়েরা কেন ছেলেদের চেয়ে শারীরিকভাবে খানিক পিছিয়ে রয়েছে। মেয়েরা কেন শারীরিক সক্ষমতায় ছেলেদের চেয়ে পিছিয়ে, জেনে নিন ।


জানা গিয়েছে, যে ছোট ছোট হাড় দিয়ে শিরদাঁড়া গঠিত, সেই 'ভার্টিব্রা'-ই জন্মের সময় থেকেই মেয়েদের কিছুটা কম শক্তিশালী হয়। ফলে জন্মের সময় থেকেই ছেলেদের সঙ্গে শারীরিক সক্ষমতার প্রশ্নে মেয়েদের তফাৎ গড়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পৃথিবীতে মানুষই একমাত্র জীব যাদের ক্ষেত্রে এই পার্থক্য দেখা যায়। ভার্টিব্রা শক্তপোক্ত হলে তা শরীরের শক্তিতে পার্থক্য তৈরি করে।

নবজাতক মেয়েদের ক্ষেত্রে এই ভার্টিব্রা আকারে ১০.৬ শতাংশ ছোট হয়। ফলে ছেলে ও মেয়ের মধ্য়ে শারীরিক পার্থক্য গড়ে ওঠে। মার্কিন গবেষকেরা জানাচ্ছেন, বিবর্তনের ফলেই এই পার্থক্য গড়ে উঠেছে। কিছুটা ছোট ও নরম হওয়ায় সন্তান প্রসবের সময়ে মেয়েদের শিরদাঁড়া তীব্র প্রসব যন্ত্রণা সহ্য করতে সক্ষম হয় বলেও রিপোর্টে জানানো হয়েছে।

আরশিয়া